মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, ‘ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধ ও করোনার জন্য আগামীতে খাদ্যঘাটতি হতে পারে। এ জন্য কৃষি পণ্য ধান, শাকসবজি, মাছ ও মুরগির উৎপাদন বাড়াতে কাজ শুরু করেছে সরকার। বোরো ধান ২৮-২৯ এর পরিবর্তে নতুন বিরিধান ৯৮ উৎপাদন করা হবে। এতে করে আগের থেকে দ্বিগুণ উৎপাদন বাড়বে। এরই মধ্যে গবেষণা শেষ হয়েছে। শিগগিরই চাষি ভাইদের বীজ দেওয়া হবে।’
মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘নতুন ভূমি আইন শিগগিরই চালু হচ্ছে। এলাকার মাস্তান আর ক্ষমতাশীল ব্যক্তি জমি দখল করে, এতে প্রকৃত জমির মালিক তার ন্যায্য থেকে বঞ্চিত হয়। নতুন আইনে সেই সুযোগ আর থাকছে না। জমি ও কাগজ যার মালিকানা তার, ভূমি সহকারী কমিশনার, রেজিস্ট্রার ও দলিলগ্রহিতার জন্য একত্রে তিন দলিল হবে, যাতে প্রতারণা শিকার কেউ না হয়। একই জমি দুইবার দলিল যাতে না হয়, এ জন্য এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করছে সরকার। দখলের মাধ্যমে মালিকানা নতুন ভূমি আইনে থাকছে না। যে জমি কিনবে শুধুমাত্র তারই নামেই মিউটেশন হবে। সাত দিনের মধ্যে ভূমি সহকারী কমিশনার জমির মিউটেশন করতে বাধ্য। এতে দুইবার জমি বিক্রি করার সুযোগও থাকছে না।’
সভায় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব রেজাউল ইসলাম ও মাজিদুল ইসলামসহ মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরিয়তপুর, ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।