1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ittehadnews24@gmail.com : Ittehad News24 : ইত্তেহাদ নিউজ২৪
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মুন্সিগঞ্জের কামারখোলা খানকায়ে ছালেহীয়া মুহিব্বিয়া দীনিয়া মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে জামাতে উলার ছাত্রদের ছবক অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাবাজার খানকায়ে নেছারিয়ায় তা’লিমী জলসা অনুষ্ঠিত Malette Poker Jetons de Poker Boutique en ligne পটুয়াখালীতে প্রফেসর একেএম শহীদুল ইসলাম ট্রাস্ট উদ্যোগে ৪০ এতিম ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীকে নগদ অর্থ প্রদান শতাব্দীর ঐতিহ্যবাহী ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেছেন মাওলানা রূহুল আমিন আফসারী পাথরঘাটা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কাজী মুনসুর আহমেদ (রহঃ) মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত আমল যত বেশি বেশি করবেন আক্বীদা তত মজবুত হবে -ছারছীনার পীর ছাহেব। পটুয়াখালীতে জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সাংসদ নাজনীন নাহারকে ফুলেল সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সর্বদা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য -ছারছীনার পীর ছাহেব। কোস্ট গার্ডকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
শিরোনাম
শতাব্দীর ঐতিহ্যবাহী ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেছেন মাওলানা রূহুল আমিন আফসারী আমল যত বেশি বেশি করবেন আক্বীদা তত মজবুত হবে -ছারছীনার পীর ছাহেব। পটুয়াখালীতে জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সাংসদ নাজনীন নাহারকে ফুলেল সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সর্বদা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য -ছারছীনার পীর ছাহেব। কোস্ট গার্ডকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছারছীনা দরবার শরীফের তিনদিনব্যাপি বার্ষিক মাহফিল শুরু নিভে যাওয়া প্রদীপে আলো জ্বেলেছেন প্রফেসর আব্দুর রশীদ টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা অগ্রযাত্রায় খামারিদের অন্তর্ভুক্ত করবে স্মার্ট ফারমার্স কার্ড : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আন্দোলন করেই তত্ত্বাবধায়কের দাবি আদায় করব -বিএনপির সেমিনারে মির্জা ফখরুল

উন্নয়নের অদম্য গতিকে অব্যাহত রাখতে চায় সরকার : পিরোজপুরের সেতু উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের কচা নদীতে “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলা্তুন্নেছা মুজিব” সেতু উদ্বোধনে বক্তব্য রাখছেন প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

সরকার দেশে উন্নয়নের অদম্য গতিকে অব্যাহত রাখতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সেজন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।’ এছাড়াও বিশ্ব অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে আগে থেকেই সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারও মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেদের ব্যবস্থা নিজেদেরই করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সেতু উদ্বোধনীতে পিরোজপুর প্রান্তে আমন্ত্রীত অতিথিবৃন্দ

রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) পিরোজপুরের বেকুটিয়ায় কচা নদীর ওপর ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ের চামেলী হল থেকে মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি একটি দেশের অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছি।’ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এবং জনসাধারণের বিশেষ করে তৃণমূলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তার সরকারের উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই দেশের উন্নয়নের গতি অব্যাহত থাকুক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত ছিল। কারণ তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক খরস্রোতা বড় বড় নদী পাড়ি দিয়ে জীবিকা ও চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে আসতে হতো। আমি ’৯৬ সালে বরিশালের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগের জন্য শিকারপুর-দোয়ারিকা সেতু নির্মাণ করে দেই এবং কীর্ত্তনখোলার ওপর ব্রিজ নির্মাণের কাজ হাতে নেই।’

গাবখান ব্রিজও তার সরকারের আমলে নির্মিত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও একের পর এক সেতু করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিরোজপুরের বেকুটিয়ায় কচা নদীর উপর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু উদ্বোধনের ফলে ঢাকার সঙ্গে পিরোজপুরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে।

সেতু উদ্বোধনে বেকুটিয়া প্রান্তে আলেহ্জ্ব আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি ও উপজেলা ‍নির্বাহী অফিসার খালেদা আক্তার সহ আমন্ত্রীত অতিথিবৃন্দ

তিনি বলেন, জনগণ পিরোজপুরের তাজা পেয়ারা এবং আমড়া রাজধানীতে বসেই পাবে। এই অঞ্চলের শীতল পাটিও বিখ্যাত। জেলার বাসিন্দারা অন্যান্যদের পাশাপাশি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন করতে পারে যা জেলা ও অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনে ব্যাপক অবদান রাখবে।

বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর তিনি সেতুটির দুই প্রান্তে সমবেত জনতার সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এখানে উপস্থিত দুই শিক্ষার্থী এবং দুজন খুদে ব্যবসায়ী সেতুর উদ্বোধনের ফলে তাদের সুবিধার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, যেটা আমি আগেই আহ্বান করেছি- এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে । কারণ আপনারা জানেন যে একদিকে করোনার এই মহামারির পরে বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা অনেক নাজুক হয়ে পড়েছে। অনেক উন্নত দেশে মূল্যস্ফিতি এত বেশি এবং তাদের সেখানে পণ্য পাওয়াই কষ্টকর। এরকম অবস্থা সে আমেরিকা হোক, ইংল্যান্ডই হোক, ইউরোপই হোক- বিদ্যুৎ তারা সেখানে রেশন করে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে। পানি ব্যবহার করা সীমিত করে দিয়েছে ৷ এমনকি গোসলের পানিও বেশি ব্যবহার যাতে না হয় সে নির্দেশও দিচ্ছে। এই অবস্থায় আমাদেরও আগে থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। পানি বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরেকটি কথা হচ্ছে যে একদিকে করোনার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতির ওপর, তার উপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধ বেঁধেছে, আমেরিকা রাশিয়ার উপর স্যাংশন দিয়েছে। ফলে খাদ্য কেনা, সার প্রাপ্তি সবকিছুতেই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা যে বিদেশ থেকে জাহাজে করে পণ্য আনব সে জাহাজের ভাড়াও অতিরিক্ত বেড়ে গেছে। কাজেই প্রত্যেকটা জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই অবস্থায় আমাদেরকে আমাদের নিজেরা ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, আপনাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- স্বাধীনতার পর অনেক বিদেশি সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেছিল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ কিভাবে আপনি গড়ে তুলবেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন আমার মাটি আছে, মানুষ আছে। এই মাটি ও মানুষ দিয়ে আমরা বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। এই মাটি আর মানুষ দিয়েই এদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিয়ে আসবো। কাজেই আমিও এটা বিশ্বাস করি‌, আপনাদের উৎপাদনমুখী হতে হবে। ১ ইঞ্চি জমিও যেন পড়ে না থাকে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কথা দিয়েছিলাম শতভাগ বিদ্যুৎ দেব। শতভাগ বিদ্যুৎ আমরা দিয়েছিলাম কিন্তু এই যুদ্ধের কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে আমি অনুরোধ করব বিদ্যুৎ ব্যবহারে আপনারা খুব মৃতব্যয়ী হবেন, সাশ্রয়ী হবেন। এতে বিল কম উঠবে, আপনিও সাশ্রয় করতে পারবেন আর দেশের জন্য ভালো হবে। আমি চাই বাইরে যুদ্ধ বাঁধুক আর যাই বাঁধুক- বাংলাদেশের অর্থনীতির সচল রাখার জন্য আমাদের এই উর্বর মাটি ব্যবহার করেই নিজেদের খাদ্য আমরা নিজেরা উৎপাদন করব। কারও মুখাপেক্ষী হবো না, ভিক্ষা চেয়ে চলবো না। বিশ্বে মাথা উঁচু করে আমরা চলবো। এভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েই আপনাদেরকে চলতে হবে, সেটাই আমি আপনাদের আহ্বান জানাই।

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জানি যে একটা দেশের উন্নয়ন করতে হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সরবরাহ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এগুলো অপরিহার্য। আমরা সেদিকে লক্ষ্য রেখে অনেক কাজ শুরু করেছি। দক্ষিণাঞ্চল সবসময় অবহেলিত, সবচেয়ে খরস্রোতা নদীগুলি এই দক্ষিণাঞ্চলে। এখান থেকে যাতায়াত ব্যবস্থা এত কঠিন আমরা ঢাকা থেকে যদি রওনা হতাম ২২ থেকে ২৪ ঘণ্টা লাগতো টুঙ্গিপাড়া পৌঁছাতে। ‘৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দক্ষিণ অঞ্চলের অনেক ব্রিজ আমরা করে দিয়েছি। শুধু এই দক্ষিণাঞ্চল না উত্তরাঞ্চলে ও আমরা অনেক ব্রিজ করে দিয়েছি। ২০০১ এর ১ অক্টোবরের নির্বাচনে আমাদেরকে হারিয়ে দেওয়া হলো। এই নির্বাচনে পর পিরোজপুরবাসী থেকে শুরু করে বরগুনা, ভোলা, বরিশাল- এই সমস্ত অঞ্চলের মানুষের বিভীষিকাময় স্মৃতির কথা কেউ ভুলে যাননি। বিএনপি-জামায়াতের ওই তাণ্ডব, মানুষের ওপর অত্যাচার, খুন-খারাবি, নারী ধর্ষণ লুটপাট অগ্নি সংযোগ। যাহোক ২০০৮ এর নির্বাচনে আমরা আবার সরকারে আসি। সরকারে আসার পর আমাদের পরিকল্পনা মতো আবার আমরা কাজ শুরু করি। আজকে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের বিশাল উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশের সব অঞ্চলের যোগাযোগ শুধু না দক্ষিণ অঞ্চল যেটা সবসময় অবহেলিত ছিল সেই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিই। কারণ আর্থসামাজিক উন্নয়ন করতে হলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করতে হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে সে কথা মাথায় রেখেই আমরা সেতু নির্মাণ, রাস্তা নির্মাণ এবং রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা যেন অতি সহজেই হয় সে সে পদক্ষেপ নিয়েছি। আজ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু উদ্বোধন করছি। চীন আমাদের বন্ধুপ্রতিন দেশ তাদের সহায়তা পেয়েছি। সেজন্য তাদেরকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৮৯৪.০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু’ নির্মাণ করে। চীন সরকার সেতুটির জন্য প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৬৫৪ দশমিক ৮০ কোটি এবং বাংলাদেশ সরকার ২৩৯ দশমিক ৮০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। সেতুটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, মংলা সমুদ্র বন্দর এবং দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবে।

সেতু উদ্বোধন করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বক্তৃতা করেন। সড়ক পরিবহন ও সহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী অনুষ্ঠানে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন। প্রকল্পের ওপর একটি ভিডিওচিত্রও অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

এ উপলক্ষে বঙ্গমাতা সেতু এলাকায় পশ্চিম এবং পূর্বপাড়ে দু’টি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পশ্চিমপাড়ে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব্ এ. কে. এম. এ. আউয়াল ও পূর্বপাড়ে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী পরে প্রকল্প এলাকার জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে তারা পায়রা বন্দরের উন্নয়নের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাড়াতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে আমরা আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করছি’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ৭১৮ কিলোমিটার মহাসড়ককে ৪-লেন বা তার উপরে উন্নীত করার মাধ্যমে সারাদেশে মহাসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ২২ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত করেছে, পাশাপাশি ৬শ’ কিলোমিটার মহাসড়ককে ৪-লেন বা তার উপরে লেনে পরিণত করার কাজ চলছে।

তিনি বলেন, সরকার ঢাকায় মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প, গাজীপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার র‌্যাপিড বাস ট্রানজিট, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টানেল এবং ১০ লেনের টঙ্গী সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে আমাদের অর্থনীতি আরও গতি পাবে।

(খবর বাসস)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Categories