1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ittehadnews24@gmail.com : ইত্তেহাদ নিউজ২৪ : ইত্তেহাদ নিউজ২৪
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বঙ্গবন্ধু’র প্রতি ভারতীয় রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ব্যাপক ও প্রাণবন্ত : রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক -ছারছীনার পীর ছাহেব ইসলাম শান্তির ধর্ম, মুসলমানরা গুজবে কান দেয় না। -ছারছীনা মাহফিলে ডিআইজি আক্তারুজ্জামান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকায়েদে বিশ্বাসী হওয়া ব্যতীত হক্কানিয়াতের দাবী বৃথা -ছারছীনার পীর ছাহেব আখেরাতমূখী আমলী জিন্দেগী গঠন করাই তরীকা ও তাসাউফের মূল লক্ষ্য -ছারছীনার পীর ছাহেব মহানবীর (স.) ব্যঙ্গচিত্র এঁকে মৃত্যুতেও ঘৃণায় ভাসল সে কীর্তনখোলায় ইলিশ রক্ষায় অভিযান ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে দেশে বিরাজনীতিকরণ চলছে -গোলাম মোহাম্মদ কাদের
শিরোনাম
বঙ্গবন্ধু’র প্রতি ভারতীয় রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ব্যাপক ও প্রাণবন্ত : রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে দেশে বিরাজনীতিকরণ চলছে -গোলাম মোহাম্মদ কাদের শুরু হলো ১৭ দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু’ ডিজিটাল প্রদর্শনী ৪-২৫ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ উপাধিতে ভূষিত করায় যুবলীগের আনন্দ মিছিল দেশে বিনিয়োগ করুন : প্রবাসীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই ‘শেখ হাসিনা : বিমুগ্ধ বিস্ময়’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ব্যাপক ও প্রাণবন্ত : রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে ব্যাপক এবং প্রাণবন্ত বলে বর্ণনা করে বলেছেন, আমরা যোগাযোগের ওপর জোর দিচ্ছি।
ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, ভারতের উন্নয়ন অংশীদার বাংলাদেশ। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব ব্যাপক এবং প্রাণবন্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে তাঁর হোটেল স্যুটে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।
সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
ভারতীয় রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ আরও বলেন, তিনটি মেগা ইভেন্ট উদযাপনে অংশীদার হতে পেরে তিনি খুবই খুশি ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছে, এমন একটি সময়ে তিনি এই অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত থাকতে পেরে খুবই আনন্দিত।’
ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ বাংলাদেশে মুজিব শতবর্ষ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে আজ ঢাকা এসেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালকে বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী বছর হিসেবে অভিহিত করেন, কারণ, এবছর দেশ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার এবং ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছে।
বাংলাদেশ ভারতকে এক পরম বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করে, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এমনকি কোভিড-১৯ পরিস্থিতির মধ্যেও উভয় দেশের মধ্যে সফর বিনিময় দুই দেশের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্কের সাক্ষ্য বহন করে।’
তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন ভারত সরকার এবং তাঁদের জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
শেখ হাসিনা তিনটি অনুষ্ঠান উদযাপনে যোগ দিতে চলতি বছরের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঐতিহাসিক ও সফল বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন।
১৯৬৫ সালের ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বিভিন্ন রুটে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সেই রুটগুলো পুনরুদ্ধারের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে চলমান সহযোগিতার জন্য সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
ভারতীয় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশে এসে খুশি হয়েছেন এবং কোভিড-১৯ এর পরে এটি তার প্রথম সফর বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি বঙ্গবন্ধুকে বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্রের আদর্শ উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু-বাপুজি ডিজিটাল প্রদর্শনী ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশই ভারত থেকে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণকারী প্রথম দেশ এবং কোভিড-১৯ এর ওষুধ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
‘কোভিড-১৯ একটি অদৃশ্য শক্তি যা সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে,’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।
তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং আম পাঠানোর জন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ওষুধ, কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এবং প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম পাঠানোটা উভয় দেশের সহযোগিতার শুভেচ্ছার নিদর্শন এবং একে অপরকে সমর্থনের প্রতীক।
বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবাই তাদের নিজস্ব ধর্মীয় অধিকার ও আচার-অনুষ্ঠান পালনে স্বাধীন, এখানে কোনো বাধা নেই। ধর্ম ব্যক্তির, উৎসব সবার জন্য।’
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
ভারতের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, রাজদীপ রায় এমপি, ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিব কেডি ত্রিপাঠি, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী ভারতের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন