প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৩, ২০২৫, ৭:৪২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১, ৫:৩৬ পি.এম
সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক মাদরাসা চালু করার সর্বাত্মক প্রস্তুতি সম্পন্ন। –খোরশেদ আলম সুজন
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক মাদরাসা চালু করার সর্বাত্মক প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন দারুল উলুম কামিল মাদরাসার গর্ভনিং কমিটির চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। আজ বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং) সকালে দেশের প্রাচীনতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম কামিল মাদরাসা চালু করার সার্বিক প্রস্তুতি দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
এ সময় তিনি বলেন করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছরের মার্চে বাংলাদেশে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে সংক্রমনের হার কমে যাওয়াতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। তবে এক্ষেত্রে সরকারী নির্দেশনাসমূহ কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন দেশের প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের পাশাপাশি শতাব্দী প্রাচীন দারুল উলুম মাদ্রাসায়ও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং ৯ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রীর আন্তরিকতায় ৬ তলা নতুন ভবনের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, সরকার মাদরাসা শিক্ষাকে জ্ঞাণবিজ্ঞাণের সাথে সংযুক্ত করে মাদরাসা শিক্ষায় অভাবনীয় উন্নতি সাধন করেছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির যুগেও পিছিয়ে নেই এই শিক্ষা। দেশের সাধারণ শিক্ষার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই এগিয়ে চলছে মাদরাসাগুলো। অর্নাস চালু, যুগোপযোগী পাঠ্যবই, আইসিটি শিক্ষা, ল্যাবরেটরি, আধুনিক শিক্ষা সবকিছুই এখন মাদরাসায় হচ্ছে। এখন মাদরাসা জঙ্গী কিংবা সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়ানোর কেন্দ্র নয়। মাদরাসা এখন জাতীয় উন্নয়নের সহায়ক। এক সময় মাদরাসা শিক্ষায় ভীতিকর পরিবেশ বিরাজ করতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যকরী দিকনির্দেশনায় মাদরাসা শিক্ষা এখন অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে। তিনি মাদরাসায় কারিগরি শাখা খোলা এবং হিফ্জুল কুরআন বিভাগ চালু করার সিদ্বান্ত গ্রহণ করেন। তিনি অভিভাবকদের নিশ্চিন্তে ছাত্র-ছাত্রীদের মাদরাসায় পাঠানোর অনুরোধ জানান। এজন্য মাদরাসার প্রবেশ মুখে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মাস্ক, স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে পাঠদানের নির্দেশনা দেন তিনি। তবে সর্দি, জ্বরসহ অসুস্থ ছাত্রদেরকে মাদরাসায় না পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি সবিনয় আবেদন জানান সুজন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার গর্ভনিং কমিটির সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দীন আহমদ, চিকিৎসক সদস্য ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, বিদ্যোৎসাহী সদস্য ড. ফয়সল কামাল চৌধুরী, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মুহসিন ভূঁইয়া, শিক্ষক প্রতিনিধি মও. মাহবুবুর রহমান, মও. মোহাম্মদ নুরুল হক ফারুকী, মও. হারুনুর রশিদ, অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ বদরুল হক প্রমূখ।
Copyright © 2025 ইত্তেহাদ নিউজ ২৪. All rights reserved.