1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ittehadnews24@gmail.com : ইত্তেহাদ নিউজ২৪ : ইত্তেহাদ নিউজ২৪
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আত্মশুদ্ধি লাভ করাই সিয়ামের মূল লক্ষ্য। -ছারছীনার পীর ছাহেব। বর্তমান সরকার ইসলাম বান্ধব সরকার। -শাহে আলম এমপি ছারছীনা দরবার সুন্নাতের অনুসারী দরবার। – আলহাজ্ব এম. এম. এনামুল হক সঠিক ভাবে ইসলামের চর্চাই শান্তি ও নিরাপত্তার গ্রান্টি দিতে পারে। -আখেরী মুনাজাতে ছারছীনার পীর ছাহেব। “আল্লাহ পাকের আশেষ মেহেরবানীতে শত বছর পেরিয়ে গেলেও এ দরবারে কোন বিদআতের অনুপ্রবেশ ঘটেনি ইনশাআল্লাহ” -ছারছীনার পীর ছাহেব। দুই শিশুর মৃত্যু : বেক্সিমকোর নাপা সিরাপ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ ‘একটি গোষ্ঠী দেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে’ -বাহাউদ্দিন নাছিম যুদ্ধ-মহামারীর মধ্যেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আদব’ ই তরীকার মূলমন্ত্র -ছারছীনার পীর ছাহেব। বঙ্গবন্ধু’র প্রতি ভারতীয় রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শিরোনাম
বর্তমান সরকার ইসলাম বান্ধব সরকার। -শাহে আলম এমপি সঠিক ভাবে ইসলামের চর্চাই শান্তি ও নিরাপত্তার গ্রান্টি দিতে পারে। -আখেরী মুনাজাতে ছারছীনার পীর ছাহেব। “আল্লাহ পাকের আশেষ মেহেরবানীতে শত বছর পেরিয়ে গেলেও এ দরবারে কোন বিদআতের অনুপ্রবেশ ঘটেনি ইনশাআল্লাহ” -ছারছীনার পীর ছাহেব। দুই শিশুর মৃত্যু : বেক্সিমকোর নাপা সিরাপ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ ‘একটি গোষ্ঠী দেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে’ -বাহাউদ্দিন নাছিম যুদ্ধ-মহামারীর মধ্যেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আদব’ ই তরীকার মূলমন্ত্র -ছারছীনার পীর ছাহেব। বঙ্গবন্ধু’র প্রতি ভারতীয় রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ব্যাপক ও প্রাণবন্ত : রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোভিন্দ

সাহস থাকলে তারেক রহমান দেশে আসুক -নানক

  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যাকাণ্ডে তারেক রহমান জড়িত ছিলেন বলেই তিনি দেশের বাইরে পালিয়ে রয়েছেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান যদি জড়িতই না থাকেন, তাহলে আপনাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন দেশের বাইরে পালিয়ে রয়েছেন কেন? আসুক না, এসে আইনের মোকাবিলা করুক। সাহস থাকলে তারেক রহমান দেশে এসে প্রমাণ করুক তিনি ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন।’
বুধবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর আদাবরে বেগম নুরজাহান মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল মাঠে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আদাবর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা ও অসহায় মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর কবির নানক এ সব কথা বলেন।
আদাবর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সংসদ সদস্য সাদেক খান, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচিসহ মহানগর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক এ সংসদ সদস্যদের আগমনে মোহম্মাদপুর-আদাবরসহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের বিশাল জমায়েত হয়। ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি ছোটখাটো জনসভায় রূপ ধারণ করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘সেদিন কারা হামলা চালিয়েছিল? মির্জা ফখরুল সাহেব জবাব দেন। সে জবাব দিতে হবে আপনাদের জাতির কাছে। গ্রেনেড হামলা হয়েছে তারপর গ্রেনেড হামলায় আহতদের চিকিৎসায় বাধা দিয়েছেন আপনারা, গ্রেনেড হামলায় যারা নিহত হয়েছিলেন তাদের লাশ গুম করতে চেয়েছিলেন আপনারা। গ্রেনেড হামলার পর সংসদ অধিবেশনে আপনাদের চেয়ারপারসন বক্তৃতা করলেন; বললেন শেখ হাসিনা নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে বোমা নিয়ে গেছেন। এর চেয়ে লজ্জার আর কী আছে? সবকিছু আজ খোলাসা হয়ে গেছে, পরিষ্কার হয়ে গেছে মানুষের কাছে; কীভাবে হত্যার নীলনকশা হয়েছিল। কারা কারা জড়িত ছিল?’
তারেক রহমানের উদ্দেশে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাহস থাকে তো আসুন না, আর খালেদা জিয়ার সে সময়কার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী কেন পলাতক? একমাত্র কারণ হলো গ্রেনেড হামলায় জড়িত ছিল, তারা যে নীলনকশা করেছে সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পিছনে যারা কলকাটি নেড়েছে তাদের মুখোশ এখনও উন্মোচিত হয়নি। তাদের মুখোশ উন্মোচন করতেই হবে। ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পরে ১৯৭৫ সালে ৩ নভেম্বর জেলখানায় চার জাতীয় নেতাকে কারা অভ্যন্তরে ভেতর নির্মমভাবে হত্যা করে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়, হত্যাকারীদের দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ কে করে দিয়েছিল? কে হত্যাকারীদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিল? এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত। এই হত্যাকাণ্ডের দায়ে তার মরণোত্তর বিচার হতেই হবে। এই দাবি আমরা জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল? মোশতাক-জিয়া ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন তৈরি করতে চেয়েছিল, পাকিস্তানকে ফিরিয়ে আনার জন্য। একটি নির্বাচিত সরকারকে জোর করে বন্দুকের বেয়নেটের মাথায় ক্ষমতাচ্যুত করা হলো। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, তখন বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার ২৪ জন মন্ত্রী সেদিন মোশতাকের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আমরা যখন বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে গ্রামগঞ্জে ঘুরে বেড়াচ্ছি, মাথায় হুলিয়া নিয়ে ঘুরছি সেই মুহূর্তে কারা মোশতাকের সঙ্গে আঁতাত করেছিল? সেদিন কেন প্রতিবাদ হয়নি, প্রতিরোধ হয়নি এটিও খুঁজে বের করতে হবে।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে এবং আপনারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে এদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়েছেন। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মির্জা ফখরুল সাহেব আপনারা ভুল পথে হাঁটছেন। ভুল পথে হাটার কারণে আপনারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। জনগণ আপনাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুখে থু থু মেরেছে।’
নানক আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ২১ বছর জেনারেল জিয়া আর জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্র দখল করেছিল। আর শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ফিরে এসে বলেছিলেন, আমি পিতা হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। তার সেই আহ্বানে জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হলো। তখন আবার নতুন করে হত্যার ষড়যন্ত্র শুরু হল। ওই হাওয়া ভবনের তারেক রহমান হাওয়া ভবনে বসে সে সময়কার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর আর খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভার সদস্য পিন্টু সাহেবরা সিদ্ধান্ত নিলো শেখ হাসিনাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে হবে। আর সেই পরিকল্পনায় গ্রেনেড হামলা করা হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আমার নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা করল। নিহত হলেন ২৪ জন। তারেক রহমান এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত।’
শিক্ষাঙ্গনের কোমলমতি ছাত্রদেরকে মৃত্যুর দিতে ঠেলে দেওয়া যায় না। জননেত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের এই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারেন না। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। ইনশাল্লাহ অচিরেই আমাদের যখন করোনা নিয়ন্ত্রণে আসছে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানওগুলো খুলে দেওয়া হবে বলে অবহিত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত। তাই জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করতেই হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন