1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ittehadnews24@gmail.com : ইত্তেহাদ নিউজ২৪ : ইত্তেহাদ নিউজ২৪
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পটুয়াখালীতে বোনরা পৈত্রিক সম্পত্তির দাবি করায় বোনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকাছাড়া। নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী)’র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম মিন্টুর ইন্তেকাল বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিগণ অবিলম্বে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের অসম যুদ্ধ বন্ধ করা সহ ফিলিস্তিনের পক্ষে সোচ্চার হোন ও সহযোগিতা করুন -ছারছীনার পীর ছাহেব। বাসায় খাবার রান্না করে এতিম শিশুদের মাঝে খাবার নিয়ে হাজির হলেন যশোর পুলিশ সুপার । রাজারবাগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন আইজিপি ঈদের জামাত শেষে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ছোবল থেকে বিশ্বের মুক্তি কামনায় প্রার্থনা। চৌগাছার আহাদ হত্যার রহস্য উদঘাটন ঘাতক ছেলে ও স্ত্রী গ্রেফতার, হত্যাকাজে ব্যবহৃত চাকু জব্দ আল আকসা মসজিদে ইসরাইলি হামলার নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর পটুয়াখালী জেলার অসচ্ছল সংস্কৃতিসেবীদের মাঝে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের মাসিক কল্যাণ ভাতার চেক বিতরণ
শিরোনাম
বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিগণ আল আকসা মসজিদে ইসরাইলি হামলার নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল নগরীর সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনকে অর্থ সহায়তা এত বাড়ির মালিক, তবু পূর্বাচলে প্লট লাগবে কেন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১ হাজার গাছ লাগানো হবে -প্রকল্প পরিচালক পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ আইজিপি’র নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প এবং জলযানের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ সহায়তা বিতরণ শুরু প্রধানমন্ত্রীর সব বীর মুক্তিযোদ্ধাই পাবেন উৎসব-বিজয় ও নববর্ষ ভাতা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে এনএসআই’র প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১ হাজার গাছ লাগানো হবে -প্রকল্প পরিচালক

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এখানে প্রায় ১ হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের পরিচালক ও সরকারের যুগ্মসচিব মো. হাবিবুল ইসলাম বাসসকে আজ এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনে বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন ও ঘটনাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইতোমধ্যে শিখাচিরন্তন, স্বাধীনতা স্তম্ভ ও ভুগর্ভস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রভৃতি নির্মাণ করা হয়েছে।’
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, আধুনিক নগর উপযোগী সবুজের আবহে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা ও দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে ‘ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ’ (৩য় পর্যায়)’ শীর্ষক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরার পরিবেশ নেই। উদ্যানের একদিক দিয়ে প্রবেশ করে অন্য দিক দিয়ে নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার পরিবেশও নেই। এখানে ভবঘুরে ও নানা রকমের মতলববাজ লোকের আনাগোনা। আমরা চাচ্ছি একটা মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে পুরো উদ্যানটাকে একটা আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে। যেখানে পাকিস্তানি শাসনবিরোধী ২৩ বছরের মুক্তিসংগ্রাম ও ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত ভাস্কর্য স্থাপন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে ভাস্কর্য স্থাপন, ইন্দিরা মঞ্চ নির্মাণ, ওয়াটার বডি ও ফাউন্টেইন নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ ৫০০ গাড়ীর কার পার্কিং ও শিশু পার্ক নির্মাণসহ বিভিন্ন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।’
এই মহাকর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে উদ্যানের কিছু গাছ কাটা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সকল কার্যক্রমগুলোর বিষয়ে খন্ডিত তথ্য প্রচারিত হওয়ায় অনেকের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে হাবিবুল ইসলাম বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১ হাজার গাছ লাগানো হবে। সারা বছর যাতে উদ্যানের কোন না কোন গাছে ফুল থাকে, মানুষ এখানে প্রবেশ করে যাতে একটা আমেজ পায় যে, সে একটা বেড়ানোর জয়গায় এসেছে। এভাবে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপন কার্যক্রম বিন্যাস করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে আন্তর্জাতিক মানের স্মৃতিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে যাতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমাদের গৌরবোজ্জল মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
রেসকোর্স ময়দানে প্রথম গাছ লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটিকে উদ্যান হিসেবে সৃষ্টি করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্থান ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সারেন্ডার করবার স্মৃতি মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতি হয়ে এই উদ্যানের ১৫ একর জায়গা জুড়ে ১৯৭৯ সালে শিশু পার্ক নির্মাণ করেন। পরিবেশবাদীরা তখন প্রশ্ন তোলেনি কেন ?
তিনি বলেন, একটা কথা বারবার বলা হচ্ছে যে এখানে খাবারের দোকান করা হচ্ছে। এখানে কোন রুটি বা ভাতের দোকান হচ্ছে না। উদ্যানে ঘুরতে এসে এখানকার নানান স্থাপনা দেখতে দেখতে একজন মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন, তার একটু পানির পিপাসা পেতে পারে বা তার টয়লেট ফ্যাসিলিটির প্রয়োজন হতে পারে। তখন যাতে তিনি একটা জায়গায় বসে বিশ্রাম নিতে পারেন। এজন্য পুরো উদ্যানে ৭টি ‘ফুড কিওস্ক’ তৈরি করা হবে। যেখানে পানি ও হালকা স্ন্যাক্সের ব্যবস্থা থাকবে। এর পেছন দিকে মহিলা এবং পুরুষদের জন্য পৃথক টয়লেট ফ্যাসিলিটি থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন