1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ittehadnews24@gmail.com : ইত্তেহাদ নিউজ২৪ : ইত্তেহাদ নিউজ২৪
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে দেশে বিরাজনীতিকরণ চলছে -গোলাম মোহাম্মদ কাদের শুরু হলো ১৭ দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু’ ডিজিটাল প্রদর্শনী ৪-২৫ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ উপাধিতে ভূষিত করায় যুবলীগের আনন্দ মিছিল দেশে বিনিয়োগ করুন : প্রবাসীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন বই ‘শেখ হাসিনা : বিমুগ্ধ বিস্ময়’ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ মালির রাজধানী বামাকোতে ১৪০ জন পুলিশ সদস্যের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ ওসি হতে পারেন হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা : আইজিপি

মসজিদের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সৈয়দ আবুল মকসুদ

  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

আজিমপুর কবরস্থানের মেয়র হানিফ মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন প্রখ্যাত লেখক, কলামিস্ট, সাংবাদিক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়। এসময় তার ছেলে সৈয়দ নাসিফ মকসুদসহ আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন। সৈয়দ আবুল মকসুদের ছেলে নাসিফ মকসুদ বলেন, ১৯৮৮ সালে দাদাকেও এই কবরস্থানে দাফন করা হয়। আমার বাবা প্রায় সময় এখানে আসতেন। দাদার কবর জিয়ারত করতেন। দাফন শেষে সৈয়দ আবুল মকসুদের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এসময় অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন দেশের খ্যাতিমান কলাম লেখক, গবেষক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ (৭৪)। ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জের এলাচিপুরে সৈয়দ আবুল মাহমুদ ও সালেহা বেগম দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া আবুল মকসুদ ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করেন।

পরে তিনি তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি থেকে সাংবাদিকতা বিষয়ে ডিপ্লোমা করেন। ১৯৬৪ সালে এম আনিসুজ্জামান সম্পাদিত সাপ্তাহিক নবযুগ পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বার্তা সংস্থায় েেযাগ দেন তিনি। ২০০৮ সালের ২ মার্চ বার্তা সংস্থার সম্পাদকীয় বিভাগের চাকরি ছেড়ে দেন। পরে জাতীয় দৈনিকগুলোতে সমাজ, রাজনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে কলাম লেখা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন