1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. ittehadnews24@gmail.com : ইত্তেহাদ নিউজ২৪ : ইত্তেহাদ নিউজ২৪
বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মসজিদের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সৈয়দ আবুল মকসুদ মাদরাসা ও শিক্ষকদের মানোন্নয়নে কাজ করছে জমিয়াতুল মোদার্রেছীন -শাব্বীর আহমেদ মোমতাজী মানুষকে আল্লাহর সাথে পরিচয় করানোর জন্যই এ মাহফিল – পীর সাহেব চরমোনাই কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে : আইজিপি পটুয়াখালীতে জেলা প্রশাসনের এবং বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর পরিকল্পনায় আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ডিজিটাল ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত জনগ‌ণের প্রত্যাশা পূর‌ণে চাই পেশাগত জ্ঞান, দেশ‌প্রেম ও সাহ‌সিকতা -আইজিপি পীর হবার জন্য নয়, তরীকা মশক করতে হবে আল্লাহ ওয়ালা হবার জন্য -পীর ছাহেব ছারছীনা বাংলাদেশ আইম্মায়ে হিযবুল্লাহর পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘আকিদা সঠিক না হলে কোনো আমল কাজে আসবে না’ -ছারছীনার পীর ছাহেব সরকার পবিত্র ঈদ-ই-মীলাদুন্নবী (সঃ) দিবসটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ছারছীনার পীর ছাহেবের পক্ষ থেকে অভিনন্দন
শিরোনাম
সরকার পবিত্র ঈদ-ই-মীলাদুন্নবী (সঃ) দিবসটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ছারছীনার পীর ছাহেবের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ক্যান্সারের ওপর বেশি করে গবেষণার গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইন শৃঙ্খলা সক্ষমতা বাড়া‌তে বাংলাদেশ পুলিশে যুক্ত হচ্ছে দুটি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার এসব কথায় কান দিলে চলে না: টিকার সমালোচনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সমস্যার একমাত্র সমাধান : তুরস্কের রাষ্ট্রদূত কলকাতা প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিরোনামে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে আরও ৫৫ কিশোর আটক কোভিড টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন : প্রধানমন্ত্রী দেশে কোভিড-১৯ এর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে : ওবায়দুল কাদের

আমল ছাড়া আলেম দ্বারা কখনও দ্বীন কায়েমের আশা করা যায় না -আখেরী মুনাজাতের পূর্বে ছারছীনার পীর ছাহেব।

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

ছারছীনা থেকে মোঃ আবদুর রহমানঃ
ছারছীনা শরীফের হযরত পীর ছাহেব কেবলা বলেন- আমরা মুসলমান। আমাদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর ইবাদত বন্দেগী করতে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন। তাঁর ইবাদত বন্দেগী করবো কুরআন-সুন্নাহর অনুসরণ ও অনুকরনের মাধ্যমে। অনুসরণ করবো হক্কানী আলেমদের দেখে দেখে। কারণ হক্কানী আলেমগণ নবীদের ওয়ারিশ তথা উত্তরাধীকারী। শুধুমাত্র লম্বা জামা পাগড়ী থাকলেই হক্কানী আলেম হয় না। কারণ আজকাল হক্কানী আলেম নামধারী বহু ধোকাবাজ বের হয়েছে। রাসূল (সা.) বিভিন্ন হাদীসে এদের সম্পর্কে তার উম্মাতকে সজাগ ও সতর্ক করেছেন- এক হাদীসে বলেছেন এদের মুখের ভাষা চিনির চেয়ে মিষ্টি কিন্তু কলবগুলো বাঘের মত হিংস্র। অপর হাদীসে রাসূলে পাক (সা.) এরশাদ করেছেন- আখেরী জামানায় এমন একদল আলেম বের হবে যারা পূর্ব জামানায় লোকদেরকে তথা ছাহাবায়ে কেরাম ছলফে ছালেহীন, মুজতাহেদে শরীয়ত ও তরীকতকে অভিশাপ করবে, তাদেরকে গালি দিবে। সেই যামানা আসছে। পূর্ববর্তী আলেমগণ, মাশায়েখে তরীকত আমাদেরকে হাদীসের আলোকে যে সমস্ত আমল করতে নির্দেশ করেছেন এখন একদল আলেম নামধারী ব্যক্তিবর্গ বলতেছে এগুলো সব জাল হাদীস। তাহলে আমাদের ছলফে ছালেহীন পীর মাশায়েখ কি মুর্খ ছিলেন? জাহেল ছিলেন?
আজকাল অনেক মানুষকে দেখা যায় যাদের লেবাছে পোষাকে মনে হয় ফেরেশতা অথচ তারা মানুষকে বলছে রাসূল (সা.) হায়াতুন্নবী নয় মুর্দা নবী। অথচ রসূল (সঃ) হায়াতুন্নবী। আবার কিছু কিছু লোক বলতেছে রাসূল (সা.) গুনাহ করতে পারে। রাসূল (সা.) কে মুর্দা নবী জেনে নামাজ, রোজা সহ ইবাদত বন্দেগী করলে সেই নামাজ রোজা কি কবুল হবে? সুতরাং সকলকে সাবধান হতে হবে। সজাগ থাকতে হবে। অন্ধ বিশ্বাসী হওয়া যাবে না।
পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- আমাদের জীবনে চলার পথে হক্কানী আলেমের কোন বিকল্প নেই। আর যদি হক্কানী আলেম থাকে তাহলে দ্বীন থাকবে, আর যদি হক্কানী আলেম না থাকে তাহলে দ্বীন থাকবে না। বে আমলী আলেম দ্বারা কখনও দ্বীন কায়েমের আশা করা যায় না। কারণ তার মধ্যেই তো দীনের অভাব, তাকে অনুসরণ করলে কিভাবে দ্বীন কায়েম হবে।
পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মুরীদানদের উদ্দেশ্য করে বলেন- মুরীদ হতে হবে আমলী মুরীদ। দাদা হুজুর কেবলা হযরত মাওলানা শাহ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ (রহ.) ফুরফুরা হুজুরের দরবারে গিয়ে তরীকা মশক করতেন। এক পর্যায় দাদা হুজুর কেবলার তরীকায় উন্নতি ও কামালিয়াত দেখে ফুরফুরার হুজুর বললেন, বাবা যাও, বাংলার মানুষকে হেদায়েতের পথে আহ্বান কর। ফুরফুরা শরীফের হুজুরের নির্দেশে দাদা হুজুর কেবলা এদেশের মানুষকে দীনের দাওয়াত দেওয়া শুরু করলেন। বাংলাদেশের মানুষের তৎকালীন কৃষ্টি কালচার এমন ছিল যে, হিন্দুরা ধুতি পরতো মুসলমানেরাও ধুতি পরতো। হিন্দুদের অনুসরণে স্বরস্বতী পূজায় শরীক হতো। মাথায় টিকি পরিধান করতো, হিন্দুরা দাড়ী কামাতো মুসলমানেরাও দাড়ী কামাতো। হিন্দুরা নামের আগে ব্যবহার করতে শ্রী, মুসলমানেরা নামের আগে ব্যবহার করতো শ্রী। সেই সময় দাদা হুজুর কেবলা দুর্বার আন্দোলন শুরু করলেন এবং বললেন, হে মুসলমানগণ তোমরা ধুতি পরিবর্তে লুঙ্গি পর। টিকির পরিবর্তে মাথায় টুপি দাও। স্বরস্বতি পূজায় না গিয়ে মসজিদে যাও। আর দাড়ী কামানোর পরিবর্তে দাড়ী রাখ। তিনি এর পাশাপাশি সমগ্র বাংলাব্যাপী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা শুরু করে দিলেন। আজ আমল বিদায়ের পথে বিধায় দ্বিন বাঁচাতে বাংলাদেশের সর্বত্র দিনীয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও সন্তানদেরকে সেখানে পড়ানোর জন্য জোড় তা’কীদ প্রদান করেন।

পরিশেষে রাত ১২ টা থেকে শুরু হয় মাহফিলের সর্বশেষ অধিবেশন। কুরআন তেলাওয়াত, হামদ-না’ত, দরূদ শরীফ, ক্বাসীদা, মর্ছিয়া ও মিলাদ-ক্বিয়াম শেষে হযরত পীর ছাহেব কেবলা রাত ৪ টায় আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন। প্রায় ঘন্টাব্যাপী মুনাজাতে হাজার হাজার মুসল্লিদের ক্রন্দনে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে যায় সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন